• info@BloodSainik.com
  • +8801723230669

Blood Sainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ):

Blood Sainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ) মুমূর্ষু রোগীর জন্য সরবরাহ করছে বছরের প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদার একটা অংশ । বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছে সকল ধরণের মানুষকে -তার নিজ রক্তের গ্রুপ। দীর্ঘ ৮ বছরের এই স্বপ্নযাত্রায়, রক্তসৈনিক বাংলাদেশ প্রায় লক্ষাধিক লোকের কাছাকাছি মানুষকে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ জানিয়ে , তাদের রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং বিনামূল্যে সরবরাহ করেছে প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ ব্যাগ রক্ত । কেন্দ্রীয় পরিষদের পরিকল্পনা রয়েছে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলায় Blood Sainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ) এর কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার । আন্তরিক ধন্যবাদ প্রিয় স্বেচ্ছাসেবী ও রক্তসৈনিক বন্ধু....... মোরা মানবতার কল্যাণকর কাজে স্বেচ্ছাসেবীর দল, আপনারা আমাদের প্রিয় সহযোগী মানবতার সম্বল। # বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় রক্ত দিতে প্রস্তুত আমরা রক্তসৈনিকগণ,যেসকল প্রিয় ভাই বোনেরা স্বেচ্ছায় রক্তদানে আগ্রহী বা আপনার কখনো রক্ত প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করেন বা রক্তদান কার্যক্রম ভালোলাগে তাদেরকে আমাদের website: bloodsainik.com / গুগল প্লে ষ্টোর থেকে Blood Sainik apps download করে sing up এ ক্লিক করে তথ্য দিয়ে গর্বিত সদস্য হোন এবং #blood_sainik পেইজ এ এড হয়ে সঙ্গে থাকুন। ♥ জয় হোক মানবতার, জয় হোক বাংলাদেশের সকল রক্ত সৈনিকের!


কেন স্বেচ্ছায় রক্তদান করবেন:

আমাদের দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০/১২ লক্ষ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়। আর এই প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহ হয় খুবই সামান্য। আর যতটুকু সরবরাহের ব্যবস্থা হয় তার ৬০ ভাগই পূরণ হয় পেশাদার রক্তদাতাদের কাছ থেকে, পেশাদার রক্তদাতাদের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ একদিকে যেমন ঝুঁকিপূর্ণ অন্যদিকে তেমনি অস্বাস্থ্যকর। কারণ পেশাদার রক্তদাতারা গ্রহণ করে বিভিন্ন ড্রাগ এবং শরীরে বহন করে হেপাটাইটিস এ, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, এইডস, সিফিলিস এর মত জীবন ধ্বংসকারী বিভিন্ন রোগের জীবাণু।

ডোনারের রক্তদানের যোগ্যতা:

১. বয়স ১৮ থেকে ৫৭ বছরের মধ্যে হতে হবে (নারী ও পুরুষ)।
২. ওজন ৪৮ কেজি (পুরুষ) ৪৫ কেজি (নারী)।
৩. সময় ১২০ দিন পর পর অর্থাৎ ৪ মাস পর পর।
৪. শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

রক্তদানে আমাদের ভুল ধারণা: 

রক্তদান করলে শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়া, শরীর মুটিয়ে যাওয়া, শরীর শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের ভুল ধারণা মানুষের মধ্যে কাজ করে, যার পুরোটাই আমাদের রক্তদান সম্পর্কে অসচেতনতা ও ভয় থেকে সৃষ্টি। রক্তদান করলে শারীরিকভাবে কোন সমস্যার সৃষ্টি বা অসুস্থ হওয়া এর কোনটাই হয় না। বরং রক্তদান করলে শারীরিকভাবে বিভিন্ন উপকার পাওয়া যায়, মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায় যা অন্য কোন ভাবে মানুষের উপকারের মাধ্যমে অর্জন সম্ভব নয়।

রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারীতাঃ

  • ১) রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয় এবং রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকার জন্ম হয়ে ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়।

  • ২) বছরে ৩ বার রক্তদান আপনার শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলার সাথে সাথে নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়।উল্লেখ্য রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়।

  • ৩)নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

  • ৪) গবেষণায় পাওয়া গেছে যারা বছরে দুই বার রক্ত দেয়, অন্যদের তুলনায় তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

  • ৫) নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে নিজের শরীরে বড় রোগ আছে কিনা তা বিনা খরচে জানা যায়।

  • ৬) প্রতি পাইন্ট (এক গ্যালনের আট ভাগের এক ভাগ) রক্ত দিলে ৬৫০ ক্যালরি করে শক্তি খরচ হয়। অর্থাৎ ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ফেসবুকে BloodSainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ) (Online Blood Bank):

প্রতিটি জেলা, থানা, গ্রাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি কাজের পাশাপাশি BloodSainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ) একটি অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে Online এ রক্তের চাহিদা পূরণের প্রয়াস চালাচ্ছে। আপনার প্রয়োজনে , এখানে জানাতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় রক্তের গ্রুপ অথবা এগিয়ে আসতে পরেন একজন মুমূর্ষুর প্রয়োজনে একব্যাগ রক্তদানের মাধ্যমে।

বর্তমান সময়ে হাসপাতালে যখন কারো রক্তের প্রয়োজন হয় , তখন  ডাক্তাররাই রোগীকে ”BloodSainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ)” -এর সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন। ধরা যাক রোগী’র অবস্থান বাংলাদেশের যে কোন স্থানে হোক না কেন? , তখন ”BloodSainik Bangladesh (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ)” এর Website অথবা Apps অথবা Facebook Id Group or Pages যোগাযোগ করলেই, তারা ডাটাবেস ঘেঁটে আপনি নিজেই আপনার পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানতে পারবেন । অথবা সাইটে দেওয়া কন্ট্রাক্ট নাম্বারে যোগাযোগ করলে তারা আপনাকে রক্তদাতার সাথে সম্বনয় করে আপনাকে ফোন করে জানিয়ে দেবেন, কখন কোথায়  তিনি আসছেন।